ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আয়ুর্বেদ দাওয়াই
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস বা ব্লাড সুগারের সমস্যা বাড়ছে। তাই সতর্ক ও সাবধান হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিকিৎসক মহলের একাংশের মতে,টাইপ-ওয়ান ডায়াবেটিস ক্রনিক সমস্যা ৷ এর জন্য দায়ী জিন ৷ টাইপ-টু ডায়াবেটিস মূলত লাইফস্টাইল জনিত অসুখ ৷ আয়ুর্বেদশাস্ত্রে এই সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কিছু চিকিৎসা রয়েছে। ওষুধ, বিকল্প থেরাপি ও জীবনচর্চার মাধ্যমে এই রোগের উপশম সম্ভব বলেও জানিয়েছেন আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরা। এক্ষেত্রে আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের বক্তব্য,বেশ কিছু ভেষজ রয়েছে যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ৷
আয়ুর্বেদশাস্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে,রোজমেরির কথা। এটি বিদেশি ভেষজ ৷ ভারতে এর জনপ্রিয়তা সেভাবে নেই। রোজমেরি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। গিলয় বা গুলঞ্চ এক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ ৷ আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরা বলে থাকেন, এটি বাড়তি গ্লুকোজ কমিয়ে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি খাওয়া যায় জুস বা পাউডার হিসেবে ৷
আয়ুর্বেদশাস্ত্রে আরও বলা হয়েছে, বদহজম ও ত্বক সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে অ্যালোভেরা জেল উপকারী ৷ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী পাতার শাঁস ব্লাড শুগারের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আবার ত্বক ও পরিপাক সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রে মেথিদানা খুবই উপকারী ৷ মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে থাকে। মেথিদানার ফাইবার মধুমেহ সমস্যায় দারুন উপকারী।
আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরা বলছেন, রাতে ৫ থেকে ১০ গ্রাম মেথিদানা এক গ্লাস জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানীয় গ্রহণ করলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে। আদাও ভালো কাজ দিয়ে থাকে। আদার রস ইনসুলিন ক্ষরণে সহায়তা করে থাকে ৷ রান্নায় ব্যবহার ও আদা কাঁচাও খাওয়া যেতে পারে ৷ তবে সব ক্ষেত্রে চিকিসকদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
(ছবি: সংগৃহীত)

